শহরগ্রাম ইউনিয়ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতির চর্চার দিক দিয়ে পূর্ব থেকেই সমৃদ্ধ। এ অঞ্চলের সংস্কৃতিমনা লোকজন বিভিন্ন সময়ে তাদের এই অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করারজন্য সংস্কৃতিকেন্দ্র, গোষ্ঠী, দল গঠন করেছে এবং বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠানআয়োজনের মাধ্যমে জনগণকে বিনোদিত করেছে। শহরগ্রামে পূর্ব থেকেই কিছু সংখ্যক আদিবাসী বসবাস করতো এবং তারা সবসময় একটি স্বতন্ত্র পরিচয় বহন করে এসেছে। তারাও একটি সংগঠন গঠন করে এ অঙ্গণকে আরও সমৃদ্ধ করে চলেছে।শহরগ্রামের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং ঐতিহ্যগত আচার অনুষ্ঠানদৃষ্টে প্রতীয়মান হয় যে, এখানকার মানুষ শিল্প সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগী ছিল।বর্তমানে শহরগ্রামে নিজস্ব সাংস্কৃতিক দল ও সংগঠন গুলি এ জেলার মানুষকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জেলার মানুষকে বিনোদিত করে আসছে।
তাছাড়া হিন্দুদের পূজা পার্বনে এখানকার হিন্দু ধর্মিয় লোকেদের সাংস্কতি মনা প্রতিয়মান হয়।
এখানকার ভাষা বাংলা। শুদ্ধ ও আঞ্চলিক মিশ্রিত। তবে দেশের অন্যান্য এলাকার চেয়ে এখানকার ভাষা শুদ্ধ বাংলার কাছাকাছি ও সবার বোধগম্য। শিক্ষা বিস্তারের সাথে সাথে ও কালের বিবর্তনে এখান কার আঞ্চিলিক ভাষা প্রায় বিলুপ্তির পথে। তবে এখানকার সাঁওতাল আদিবাসিরা এখনও তাহাদের নিজেস্ব সাঁওতালি ভাষায় কথা বলে ।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস